জার্মানির বাভারিয়ায় জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের আলোচনায় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের প্রসঙ্গই যে প্রাধান্য পাবে, তাতে সন্দেহ নেই।যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা এবং জাপানের নেতারা এই সম্মেলনে বেশ কঠিন কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।
ইউক্রে
ইউক্রেনে যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত শহর সেভেরোদোনেতস্ক ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে কিয়েভ বাহিনী। তাদের পিছু হটার মাধ্যমে ইউক্রেনের বৃহত্তর পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা দখলে নিতে রুশ বাহিনীর জন্য সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইউরোপ সফর চলাকালে তার ইউক্রেন যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। চলতি সপ্তাহে এ সফর শুরু হতে যাচ্ছে।
নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী রুশ সাংবাদিক দিমিত্রি মুরাটভ ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের জন্য তার নোবেল পদক নিলাম করছেন। তার মতে, মস্কোর সামরিক অভিযানকে রাশিয়ার নাগরিকদের অধিকাংশই সমর্থন করেন না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য হওয়ার জন্য ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও রোমানিয়া।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কিয়েভ সফরে গিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সমর্থনের কথা জানান।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে অবরুদ্ধ সেভেরোদোনেৎস্ক শহরের রাসায়নিক কারখানায় যেসব বেসামরিক নাগরিক আটকা পড়ে আছে তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাশিয়া।
ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ মঙ্গলবার বলেছেন, পূর্ব ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অগ্রযাত্রার মোকাবেলার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে ইউক্রেনে আরো ভারী অস্ত্র পাঠাতে হবে।
ইউক্রেনকে আরো অস্ত্র দেয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। সোমবার তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা ওদের সাহায্য করছি। যত দিন গড়াচ্ছে, আমরা অস্ত্র সাহায্যও তত বাড়াচ্ছি।
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী রোববার জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ’র সরবরাহ করা অস্ত্রের গুদামে হামলা চালিয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য হতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে কিনা ইউক্রেন, এ বিষয়ে জোটের সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ জানা যেতে পারে।