ইরান তার উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করতে প্রস্তুত বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-হাদাত।
ইউরেনিয়াম
যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রস্তাবের জবাবে ইরান তাদের মজুত থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ তৃতীয় একটি দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, তারা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের কাছে স্থানান্তর ও সংরক্ষণ করতে প্রস্তুত।
ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ বলেছেন, এ বিষয়ে আলোচনারও কোনো সুযোগ নেই। খবর আল জাজিরার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা প্রশমন সংক্রান্ত আলোচনার বরাবরই একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ইউরেনিয়াম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাদের কাছে থাকা পারমাণবিক ধুলো বা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ফিরিয়ে দিতে রাজি হয়েছে। এই কথা সত্য হলে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টায় এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের অভিযানে ‘অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা’ রয়েছে।
উত্তর কোরিয়া বিপুল পরিমাণে অত্যন্ত উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত করেছে বলে দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ইরানের সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি ইউরেনিয়াম কোথায় আছে, এবং আদৌ তা আছে, না কি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে— এসব জানেন না বলে স্বীকার করেছেন জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।
চীনে ইউরেনিয়াম নতুন একটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর ফলে দেশটির ইউরেনিয়াম রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।