প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ তথ্যনির্ভর ও বস্তুনিষ্ঠ কোনো অভিযোগ করেনি।
ইভিএম
আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুই লাখ নতুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে নির্বাচন কমিশনের ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব আপাতত অনুমোদন দেয়নি সরকার।
আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২ লাখ নতুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কিনতে নির্বাচন কমিশনের ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব আপাতত অনুমোদন দেয়নি সরকার।
দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) প্রকল্পটি সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় আপতত প্রক্রিয়াকরণ না করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাংগীর আলম।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্পটি মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) ওঠেনি। ফলে প্রকল্পটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি।
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন, মধ্য জানুয়ারিতে ইভিএমের নতুন প্রকল্প পাস না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যালট পেপারে করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে তা জানুয়ারির মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোঃ আলমগীর।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘ইভিএম নিয়ে নির্বাচন করা আমাদের জন্য আত্মঘাতী হবে। এই যন্ত্র ব্যবহার করলে মানুষ ভোটাধিকার বঞ্চিত হয়।
আগামী ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প অনুমোদন না পেলে দেড় শ’ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণ সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো: আলমগীর।
নির্বাচনে ইভিএম থাকলো না কি ব্যালট থাকলো সেটা বড় কথা নয়। ব্যালট বা ইভিএমের চেয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।