ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালে, অল্প সময়েই প্রতিষ্ঠানটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিল।ইভ্যালিতে মোটরসাইকেল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, পোশাক-আশাক, খাদ্য-পণ্যসহ যত ধরণের পণ্য বিক্রি হয় তার প্রায় সব কিছুর বিপরীতে ব্যাপক ছাড়, আর লোভনীয় ক্যাশব্যাক অফার যেমন ছিল, তেমনি ছিল দেশের নামী তারকাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করা, টিভি চ্যানেলসহ সব গণমাধ্যমে দর্শনীয় বিজ্ঞাপনসহ দৃষ্টি আকর্ষণের সব চেষ্টাই।
ইভ্যালি
রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো: রাসেলের রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ আদায়ের ঘটনার মামলায় ই-কমার্স কোম্পানি ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাইকোর্ট।
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা হয়েছে।
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনসহ প্রতিষ্ঠানটির ২০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর অফিসগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আলোচিত ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি।
‘ইভ্যালি টি-টেন’ অফারের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে জরুরি নোটিশ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শনিবার রাত ১টা ১৮ মিনিটে ইভ্যালির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অর্ডার নেয়া বন্ধ করার বিষয়টি জানানো হয়।
ফেনীর বাসিন্দা মারজান কনক ২০০৫ সালে যুবক নামের একটি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানিতে প্রথমে ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বেশি লাভের আশায়।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং তার স্বামী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।