গণহত্যায় আন্তর্জাতিকভাবে অভিযুক্ত হওয়ার পরও আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি ইসরাইলি সেনাদের।
ইসরাইল
ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ-রেজা জাফারঘান্দি রোববার জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলর হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে কমপক্ষে ২১০ শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৫১০ জন আহত হয়েছে।
ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীতেও ইরানের গুপ্তচর প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে দখলদার বাহিনী।
ইসরাইলের সামরিক অভিযানে লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এ পর্যন্ত আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন।
জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি দখলদার ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইরান।
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরাইলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দু’জন শিশু, একজন গর্ভবতী নারী এবং ৯ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।
ইরানের আরও দুই জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল। এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত শুক্রবার তেহরানে এক বিমান হামলায় আবদুল্লাহ জালালি-নাসাব ও আমির শরীয়ত নিহত হয়েছেন।
ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে প্রায় ১৫০টির রকেট ছুড়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর হামলার গতি বাড়িয়েছে তেহরান।