মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।
এমপিওভুক্ত
মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দেওয়াসহ তিন দাবি পূরণে সরকারকে একদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
সরকারের ঘোষিত বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধিকে ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন সারা দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুলের শিক্ষক–কর্মচারীরা। যার প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার (১২ অক্টোবর) ঢাকায় সারা দেশের শিক্ষকদের বড় জমায়েত আহ্বান করেছেন তারা।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ৫০০ টাকা বৃদ্ধির আগের পরিপত্র বাতিল করতে যাচ্ছে সরকার। শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী শতাংশ হারেই বাড়িভাড়া দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি এবং আর্থিক প্রনোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে বলেছেন, শিক্ষকরা দেশে শিক্ষা বিস্তারের মহান পেশায় নিয়োজিত।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর অপেক্ষমাণ। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি—বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাড়ানো। এবার সেই দাবি পূরণের পথে মন্ত্রণালয়।
বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাড়ার প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের কাছে অতিরিক্ত ৭৬৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য চালু হলো ‘বিশেষ সুবিধা’ যা জুলাই মাস থেকেই কার্যকর হবে।
দেশের সকল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) বগুড়া শহরের সাতমাথায় বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদ জেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এবার সারাদেশে ১ হাজার ৫১৯টি মাদরাসাকে এমপিওভুক্ত করার কাজ চলমান রয়েছে।