দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির আবেদন প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও এমপিও অনুমোদন কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রয়েছে।
এমপিও
বেসরকারি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নির্ধারিত অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আপাতত
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ই-রেজিস্ট্রেশন এবং বিদ্যমান ই-রেজিস্ট্রেশন হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী সোমবার। এই কার্যক্রম চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত বকেয়া এমপিও অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে তথ্যগত ভুলের কারণে যাদের উৎসবভাতা বকেয়া রয়েছে তাদের বিল সাবমিটের নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ অথবা কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর মাসের বেতনের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ আদেশ জারি করে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি থেকে। আগামী ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন করা যাবে।
আবারও বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে অনলাইনে নন-এমপিও স্কুল ও কলেজ এমপিওভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ শুরু করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ থাকছে।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মসজিদের ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ মোট ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না।