রমজানের রোজা ফরজ। শরীয়ত সমর্থিত ওজর (অপারগতা) ছাড়া ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গকারী মৌলিক ফরজ লংঘনকারী ও ইসলামের ভিত্তি বিনষ্টকারীরূপে গণ্য। কোনো ব্যক্তি কারণ ছাড়া রোজা ভাঙলে পরবর্তীতে কাফফারাসহ রোজার কাজার বিধান রয়েছে।
শিরোনাম
- কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু
- * * * *
- ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বিজিবি সতর্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষাণীর মৃত্যু
- * * * *
- কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
- * * * *
- শেরপুরে ভারতীয় মদ উদ্ধার, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতির ছেলেসহ গ্রেফতার ৩
- * * * *
কাজা রোজা
মজান মাসের রোজা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। কেউ যদি শরয়িসম্মত কারণে (যেমন অসুস্থতা, সফর বা নারীদের মাসিক) রোজা না রাখতে পারেন, তাহলে তিনি পরবর্তী সময়ে সেই রোজার কাজা আদায় করবেন—এটা ইসলামি শরিয়তের বিধান।
শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখল অতঃপর এ রোজার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল।’ (সহিহ মুসলিম, ১১৬৪)