আজকাল ক্রনিক কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। কমবয়সীরাও এই রোগে ভুগছেন। কিডনির কাজ হলো শরীর থেকে দূষিত বা রেচন পদার্থ ছেঁকে বের করে দেওয়া। এই অঙ্গটি ঠিকমতো কাজ না করলে এসব পদার্থ শরীরের ভেতর জমা হয়।
কিডনি
‘কিডনি রোগ জীবননাশা- প্রতিরোধই বাঁচার আশা’ এই স্লোগানে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক কিডনি দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পস কিডনি এন্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়।
বাংলাদেশে কিডনি রোগের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক। দেশে প্রায় তিন কোটি ৮০ লাখ লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। যাদের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার কিডনি রোগী ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল হয়। শহর ও গ্রামাঞ্চলে সমানভাবে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।
মিয়ানমারে ভয়াবহ আর্থিক সংকটে বেশ বিপাকে পড়েছেন সেখানকার সাধারণ নাগরিকরা। বেঁচে থাকার মতোসামান্য অর্থও তাদের কাছে নেই।
কিডনির স্বাস্থ্যের কথা বলতে গেলে, বেশিরভাগ মানুষই কোমরের ব্যথা এবং প্রস্রাবের পরিবর্তনের মতো সাধারণ লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন। তবে কিডনির ক্ষতি অস্বাভাবিক উপায়ে প্রকাশ পেতে পারে যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপেক্ষা করা হয়।
গ্রাম-বাংলার মাঠে, ঘাটে, পুকুরের পারে জন্মে বেথো বা বেথুয়া শাক। বাজারেও সহজে এই শাক পাওয়া যায়।
কথায় বলে, পানির ওপর নাম জীবন। এটি আমাদের শরীর হাইড্রেটেড রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং সঠিক শারীরিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। তবে উপকারি হলেও ইচ্ছেমতো পানি পান করা যাবে না। তা খেতে হবে পরিমাণমতো।
মানবদেহে কিডনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। বর্তমান সময় মাত্রাতিরিক্ত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কেমিকেলযুক্ত ভেজাল খাবার ও পরিবেশ দূষণের কারণে দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
শীতকালে কিডনির স্বাস্থ্য বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হয়ে ওঠে। কারণ এসময় বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলো স্থানান্তরিত হয় এবং শরীরের কিছু অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হয়। এই অঙ্গগুলো ক্রমাগত বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করে।
জ্বর হলো কি হলো না, প্যারাসিটামল খেয়ে ফেলছেন? গায়ে, হাত-পায়ে ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা হলেও ভরসা এই সস্তার ব্যথানাশক ওষুধই। ঘরে ঘরেই এটি থাকে। আর এর ডোজ না জেনেই ঘন ঘন খেয়ে ফেলার যে প্রবণতা, তাতেই বিপদ ঘনাচ্ছে।