দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় এই সময়ে অবরুদ্ধ ওই ভূখণ্ডে প্রায় ২৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
গাজায
দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৩৯৫ জন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ হাজার ৫৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গত একদিনে গাজার অন্তত ১১ স্থানে হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। এতে দুই শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছে বহু মানুষ।
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য দেশটির স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কাতার জানিয়েছে, গাজার ইসরাইলের সাথে প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির ব্যাপরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস 'সাধারণভাবে ইতিবাচক' সাড়া দিয়েছে। তবে তারা একইসাথে গাজা ইসরাইলি হামলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার আগের দাবি আবারো তুলেছে।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের হাতে আটক ১৩৬ ইসরায়েলি জিম্মির মধ্যে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্ধকারে ডুবে আছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। রাতের আঁধারে আলোর দেখা নেই। প্রচণ্ড গরমে পাখার বাতাস নেই। হাসপাতালের সরঞ্জামগুলোও বিদ্যুতের অভাবে অচল।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৭ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা ২৭ হাজার। এরমধ্যে ১২২ জন সাংবাদিক রয়েছেন। ইচ্ছাকৃত ভাবে ইসরায়েলের সেনা একাজ করেছে।জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত এক সংস্থার বিশেষজ্ঞ এক বিবৃতিতে এ তথ্য দেন। সেখানে বলা হয়েছে, গাজা স্ট্রিপে ইসরায়েলের অভিযান শুরু হওয়ার পর অন্তত ১২২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। আহত আরো অনেক। হামাসও চারজন ইসরায়েলি সাংবাদিককে হত্যা করেছে।
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে যদি আরো অনেক বেশি ফিলিস্তিনি রাফায় পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।