পৃথিবীর বেশিরভাগ ফোন চলে গুগলের অপারেটিং সিস্টেমে। যার নাম অ্যানড্রয়েড। অনেকে স্মার্টফোনকে অ্যানড্রয়েড ফোন নামেও চেনেন। ফোনের জন্য গুগলের রয়েছে নানা পরিষেবা ও অ্যাপ। যার বেশিরভাগই ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়।
- গুগল ভিডস দিয়ে নিজের মতো এআই ভিডিও তৈরির সুবিধা
- * * * *
- কাবায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চালু, মুহূর্তেই মিলবে ভিড়ের তথ্য
- * * * *
- বৈশাখী টিভিতে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘গৃহযুদ্ধ’
- * * * *
- তেহরানে নতুন বিলবোর্ডে কফিনবন্দি ট্রাম্পের পরিবার
- * * * *
- ব্যক্তিগত মুহূর্ত সুরক্ষিত রাখতে স্মার্টফোনের ৭টি জরুরি সেটিংস
- * * * *
গুগল
অ্যানড্রয়েড ফোনে যারা গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করেন তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই ব্রাউজারে একাধিক নিরাপত্তা ত্রুটি পাওয়া গেছে। যা অ্যানড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত করে দিতে পারে। এমনকি এই ত্রুটির মাধ্যমে হ্যাকাররা অ্যানড্রয়েড ফোন দখলে নিতে পারে।
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করল গুগল।
গুগল তার পরিষেবা ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে ক্লাউড স্টোরেজ দেয়। যাকে বলা হয় গুগল ড্রাইভ। এই ড্রাইভে বিনা খরচে ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ডকুমেন্টস আপলোড করে বছরের পর সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
ইন্টারনেটে অনুসন্ধানের জন্য গুগল লেন্সে যুক্ত হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক নতুন ‘ভিডিও সার্চ’ ফিচার। তাই গুগল লেন্স ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বস্তু বা স্থানের ভিডিও ধারণ করে অনলাইন থেকে সে বিষয়ের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
জিমেইল, ড্রাইভ এবং গুগল ফটোর মতো পরিষেবা ব্যবহারকারীরা এবার সমস্যায় পড়তে চলেছেন। কেননা, কিছু ব্যবহারকারীর গুগল অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে সংস্থাটি।
অনেক দিন ধরেই গুগল ওয়ানের কম খরচের একটি প্ল্যান নিয়ে কাজ করছিল সংস্থাটি। অবশেষে লঞ্চ করা হয়েছে গুগল ওয়ান লাইট। এতে কম দামে ক্লাউড স্টোরেজ পাওয়া যাবে।
সার্চ ইঞ্জিন গুগলের যতগুলো ফ্রি পরিষেবা আছে তার মধ্যে ম্যাপ অন্যতম। গুগল ম্যাপ এমন একটি শক্তিশালী টুল, যা আপনাকে চারপাশের পরিবেশ দেখতে সাহায্য করতে পারে।
গুগলের প্লে স্টোরে বড় পরিবর্তন এলো। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে একাধিক অ্যাপ। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে বিশ্বের কোটি কোটি অ্যানড্রয়েড ইউজারদের ওপর। কোয়ালিটি কন্ট্রোলের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল।
বড়সড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্লে স্টোর থেকে হাজার হাজার অ্যাপ ডিলিট করা হতে পারে। মূলত ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা এবং গুগল প্লে স্টোরকে আরও নিরাপদ করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।