জাহান্নাম

জাহান্নামের প্রতিবন্ধক ১১ আমল

জাহান্নামের প্রতিবন্ধক ১১ আমল

একজন ঈমানদারের জন্য জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়া এবং জান্নাতে প্রবেশ করা সবচেয়ে বড় সাফল্য। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।

‘ইতেকাফ’ জাহান্নাম থেকে মুক্তির অনন্য আমল

‘ইতেকাফ’ জাহান্নাম থেকে মুক্তির অনন্য আমল

ইতেকাফ পবিত্র রমজানের বিশেষ ইবাদত। মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করা সুন্নত। দুনিয়াদারির ঝামেলা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হওয়া এবং বিনয় ও নম্রতায় নিজেকে আল্লাহর দরবারে সমর্পণ করা, বিশেষ করে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করার সুযোগ লাভ করাই ইতেকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জাহান্নামের কঠিন আজাব

জাহান্নামের কঠিন আজাব

জাহান্নাম শব্দটি আরবি। এর অর্থ শাস্তির জায়গা। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন পরীক্ষা নেয়ার জন্য, পরীক্ষা শেষে ফলাফল দেবেন হাশরের মাঠে। 

জাহান্নামের আগুন থেকে পরিবারকে বাঁচান

জাহান্নামের আগুন থেকে পরিবারকে বাঁচান

সুরা আত্ তাহরিমে আল্লাহ বলেন, ‘হে ইমানদারগণ!তোমরা নিজেদের ও পরিবার-পরিজনকে রক্ষা কর আগুন থেকে। যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর। যাতে নিয়োজিত আছে কঠোর স্বভাব ও নির্মম হৃদয়ের ফেরেশতা, যারা অমান্য করে না আল্লাহ যা আদেশ করেন।’ আয়াত ৬। 

ফরজ নামাজ না পড়লে যে গুনাহ

ফরজ নামাজ না পড়লে যে গুনাহ

মুফতি আসিম নাজিব: দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ তাআলা ফরজ করেছেন। যে যেখানেই এবং যে অবস্থাতে থাকুক— নামাজ অবশ্যই আদায় করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে কিংবা যানবাহনে থাকলে, তার নামাজেরও সুরত ও পদ্ধতি রয়েছে।

কুরআনে বর্ণিত জাহান্নামের শাস্তি

কুরআনে বর্ণিত জাহান্নামের শাস্তি

জাহান্নাম হলো আজাব তথা শাস্তির আবাসস্থল। জাহান্নাম হলো কষ্টের অতল দরিয়া। জাহান্নামের আজাবও কষ্ট কখনো শেষ হবার নয়। আল্লাহ তায়ালা কাফের ও পাপিষ্ঠদের কৃতকর্মের প্রতিদান হিসেবে জাহান্নাম তৈরি করে রেখেছেন।

জান্নাত-জাহান্নাম সৃষ্টি

জান্নাত-জাহান্নাম সৃষ্টি

আল্লাহ তা'আলা যখন জান্নাত তৈরি করলেন, তখন জিবরীল (আ.) কে বললেন, যাও জান্নাত দেখে আসো। তিনি গিয়ে তা এবং তার অধিবাসীদের জন্য যে সকল জিনিস আল্লাহ তা'আলা তৈরি করে রেখেছেন, সবকিছু দেখে এসে বললেন, হে আল্লাহ! তোমার সম্মানের শপথ! যে কেউ এ জান্নাতের সম্পর্কে শুনবে, সে অবশ্যই তাতে প্রবেশ (আকাঙ্খা) করবে।