রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন 'জুলাই সনদ'-এ অনুমোদন দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সনদে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার একটি নতুন ধাপ সম্পন্ন হলো। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর সনদটি এখন কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায়।
জুলাই
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে ৩-৪ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার। রাজনৈতিক দলগুলো তা মেনে নেবে, এমনটাই আশা করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া ২০২৬ সালে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, যারা জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি দিতে নারাজ, তাদের জন্য চাব্বিশে কোনো নির্বাচন নেই।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জুলাই সনদের বাইরে গিয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে তার সব দায়দায়িত্ব সরকারের ওপরই বর্তাবে।
জুলাই আন্দোলনের শহীদ মীর মুগ্ধের জমজ ভাই ও বিএনপি নেতা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়া সম্ভব।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ঐকমত্য কমিশন সংস্কারে ঐকমত্যের নামে অনৈক্য সৃষ্টি করে নির্বাচনের পথে জটিলতা করছে। একটি বিতর্কিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর গুপ্ত রাজনীতির সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে অন্তর্বর্তী সরকার সহায়তা করতে পারে না।
মজলুম জননেতা আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, আমরা সোনার বাংলাদেশ, নতুন বাংলাদেশ, সবুজ বাংলাদেশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ সবই দেখেছি, এখন দেখার বাকি ইসলামের বাংলাদেশ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা জুলাই সনদ প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকেই নিতে চাই, অন্য কারো কাছ থেকে নয়।
বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আমির (চরমোনাই পীর) সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, গণভোটের পক্ষে সব রাজনৈতিক দল একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গণভোট হচ্ছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।