দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানি করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। জি-টু-জি চুক্তির আওতায় ২০২৩ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য এই পরিমাণ জ্বালানি আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার ৮৫০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
- প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সরকারের : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
- * * * *
- শাহজালালে শতাধিক স্বর্ণবার জব্দ
- * * * *
- ১২০ কোটি টাকায় নির্মিত হবে জিয়া হল: নাসিক প্রশাসক
- * * * *
- গোপালগঞ্জে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ
- * * * *
- ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি ‘নুরা পাগলা’ গ্রেপ্তার
- * * * *
জ্বালানি তেল
তিন দফা দাবি আদায়ের জন্য জ্বালানি তেল পরিবহণ বন্ধের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
আন্তর্জাতিক বাজারে শুক্রবারও (২৩ জুন) তেলের দাম কমেছে। এ নিয়ে টানা দুই দিন জ্বালানি পণ্যটির দর কমলো।
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে জ্বালানি তেলে লোকসানে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার। যেটাকে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বা অটোমেটেড প্রাইসিং ফর্মুলা।
জ্বালানি তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেল বাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রক জোট ওপেক প্লাস। এরপরেই বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানির দাম। এক বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ বেড়েছে।
বেসরকারিভাবে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে। বোধকরি, বাংলাদেশকে যে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে যে আলোচনা চলছে তার অংশ হিসাবেই বেসরকারি খাতে তেল আমদানির বিষয়টিও উন্মুক্ত করার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।
সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আজ প্রায় ২১ লাখ টন জ্বালানি তেল ও ৬০ হাজার টন সার সংগ্রহের জন্য পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
বাংলাদেশের সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের আমদানি ও বিক্রির বিষয়টি তারা বেসরকারি খাতের জন্য খুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছেন।
আগামী ২০২৩ সালের জন্য ৫৪ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।