ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম
রাজধানীর টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতামার ময়দানে তাবলিগ জামাতে হামলা ও হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ করেছে জুবায়েরপন্থীরা। এ সময় মহাসড়কের দু-পাশে প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট তৈরি হয়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন আটকে থাকা যানবাহনগুলোর চালক-সহকারী ও যাত্রীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভিটিকান্দি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ওষুধ কোম্পানির শ্রমিকরা। এতে রাস্তার দু’পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চারদিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জ অংশে বেড়েছে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ। এর ফলে ভোর থেকে মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৃথক দু’টি দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা টোল প্লাজা থেকে দাউদকান্দি টোল প্লাজা পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ যানজট আটকে পড়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
ছুটির দিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় থেকে বন্দরের লাঙ্গলবন্দ এলাকা পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেনে ১৪ কিলোমিটার তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে বন্দরের লাঙ্গলবন্দ এলাকা পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেনে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন গণপরিবহনের যাত্রী ও চালকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের পানিতে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় কবলিত হয়েছে দেশের ১১টি জেলা। বন্যার কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন পানির নিচে। ফলে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে ৪৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে সৃষ্টি হওয়া যানজট শনিবার (২৪ আগস্ট) প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিরসন হয়নি।