শ্রমিক মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকে একটি কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়
ঘন কুয়াশা ও দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ৮ ঘণ্টা বন্ধ ছিল যান চলাচল। এতে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক দুটি সরানো হলে আট ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আন্ডারপাসের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী এবং শিক্ষার্থীরা। এ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন দু’টি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
গাজীপুরে কালিয়াকৈরে ২১ দফা দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ওষুধ কারখানার শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকা ও টাঙ্গাইলগামী যাত্রীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেওয়ায় চার ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
পরিবার পরিজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যাত্রী ও যানবাহনে চাপ।
ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ততই বাড়ছে। সড়কের কালিহাতী উপজেলার চরবাবলা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।
পবিত্র ঈদুল আযহায় পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে আনন্দ ভাগভাগি করে নিতে বাড়ি ফিরেছে মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরছে উত্তর বঙ্গের যাত্রীরা।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ দেখা যায়নি।বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, ভুঞাপুর লিঙ্ক রোড, সেতুপূর্ব এলাকায় কোনো যানজট দেখা যায়নি।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ৫ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সোমবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।