মানুষের হৃদয় অত্যন্ত কোমল ও অনুভূতিশীল। কোনো নির্দিষ্ট মানুষ বা চরিত্রের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হওয়া এবং তাকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে কাছে পাওয়ার সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি মানবিক বিষয়। তবে একজন মুমিনের প্রতিটি অনুভূতি ও চাহিদা প্রকাশের সর্বোত্তম স্থান হলো মহান রব্বে কারিমের দরবার।
- নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রবাসী বিএনপিতে উচ্ছ্বাস, থাকবেন হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রালে
- * * * *
- জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: পাটওয়ারী
- * * * *
- থানার ফটক ভাঙচুর, বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- * * * *
- একাদশ শ্রেণির আসল বই আসার আগেই নকলে বাজার সয়লাব
- * * * *
দোয়া
দোয়া কখনো বিফলে যায় না। তাই দোয়ার ফল পেতে দেরি হলে হতাশ হওয়া অনুচিত।
দুর্ঘটনা বা আগুন লাগার ঘটনা বলে-কয়ে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং নিভে যেতে পারে তরতাজা প্রাণ।
ছোট শিশুরা অনেক সময় ভয় পেয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করে অথবা সবসময় কান্নাকাটি করতে থাকে। তখন তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নবীজি (স.)-এর শেখানো দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত।
ফেরেস্তারা কিছু সৌভাগ্যবান মানুষের জন্য দোয়া করেন।। তাদের মধ্যে পাঁচজন হলো— এক. আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্রাবস্থায় (অজু অবস্থায়) ঘুমায়, তার সঙ্গে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। এরপর সে ঘুম থেকে জাগার পর আল্লাহর কাছে ফেরেশতা দোয়া করে বলেন—হে আল্লাহ, তোমার অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দাও, কেননা সে পবিত্রাবস্থায় ঘুমিয়েছিল।’ (ইবনে হিব্বান)
ভূমিকম্প মহান আল্লাহর মহাশক্তির ছোট নিদর্শন মাত্র। ভূমিকম্প বার্তা দেয় যে, মানুষ যেন নিজেদের আচার-আচরণ শুধরে নেয়। কারও উপর অত্যাচার না করে এবং গুনাহ ও পাপ থেকে দূরে থাকে। মহান সৃষ্টিকর্তাকে অনেক বেশি স্মরণ করে ও তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। রাসুল (সা.) ভূমিকম্পসহ যেকোনো দুর্যোগে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছেন।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘গাজার কসাই’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।
মা-বাবা মৃত্যুবরণ করলেও তাঁদের প্রতি সন্তানের কর্তব্য শেষ হয়ে যায় না, বরং তাঁদের মৃত্যুর পর তাঁদের জন্য দোয়া করা সন্তানের অন্যতম দায়িত্ব।
এমন কিছু সৌভাগ্যবান মানুষ আছেন, যাঁদের জন্য সম্মানিত ফেরেশতারা দোয়া করে থাকেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সদ্য প্রয়াত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হকের স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।