বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘ভারত থেকে অতি শিগগিরই ২০ হাজার মেট্রিক টন পিঁয়াজ ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি আমদানি করা হবে। এছাড়া আসন্ন রমজান মাসের আগে সকল নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।’
নিত্যপণ্য
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে চালসহ বেশ কিছু ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। ভরা মৌসুমে আরও চড়া হয়েছে সবজির দাম। বেড়েছে গরুর মাংস, ব্রয়লার মুরগি, আটা, ময়দা, ডাল, ছোলা, আদা ও রসুনসহ আরও বেশ কিছুর দাম।
আসন্ন রমজান মাসে খেজুরসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
ডলার কেনা-বেচায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না দেশের বেশিরভাগ বাণিজ্যিক ব্যাংক। বেশি দামে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় আমদানিতেও এর দাম বাড়ছে। ফলে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের বাজারে আরেক দফা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং মিল মালিকদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।
আগামী রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কোন সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কেউ যেন সুযোগ না নেয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে জেলাপ্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এলসি জিরো মার্জিন অথবা ন্যূনতম মার্জিন করা হয়েছে।
বাজারে এমন কোনো পণ্য পাওয়া যাবে না যার দাম বাড়েনি। সপ্তাহ, মাস বা বছরের ব্যবধানে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দ্রব্যমূল্য তালিকায়ও দাম বৃদ্ধির এ চিত্র উঠে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টিসিবি’র বিক্রয় কার্যক্রম চলমান থাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে।