ঝালকাঠিতে গত দুই দিন ধরে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ফাঁকা হয়ে পড়েছে, ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল।
নিম্নাঞ্চল
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। দুর্বিষহ জীবন পার করছেন অনেকে। ঢলের স্রোতে ভেঙে গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ সড়ক।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে কক্সবাজারে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি:বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে নোয়াখালীতে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয় দিনের মত নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
কয়েকদিন থেকে থেমে বৃষ্টি হলেও সোমবার সন্ধ্যা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অবিরাম বৃষ্টিতে বিভাগীয় নগরী রংপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নগরীর অলিগলি ও নিম্নাঞ্চলের রাস্তা এক থেকে দেড় ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে।
রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের চরাঞ্চল ছাড়াও কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে যশোরের নিম্নাঞ্চল। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে গোটা যশোরবাসী। রোববার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস।
টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার তিন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
কক্সবাজারের পেকুয়া-চকরিয়ায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত ২০ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছে।
কক্সবাজারের চকরিয়ায় টানা তিনদিনের বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার অন্তত ১০টি ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।