মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম তাওবা। তাওবার অর্থ হলো আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ ভালোবাসেন তা পালন করা এবং বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ অপছন্দ করেন তা ত্যাগ করা। তাই তাওবা শুধু গুনাহ ছেড়ে দেওয়ার নাম নয়।
পরকাল
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যা কিছু আছে, সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ একমাত্র আল্লাহর হাতে। তিনিই সর্বশক্তিমান। সব কিছুর কর্মবিধায়ক একমাত্র তিনিই। তাঁর রাজত্বের সীমানা অতিক্রম করার সাধ্য কারো নেই।
পরকাল বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস ঈমানের মৌলিক স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। এ ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ—
দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। বান্দা আল্লাহর নিকট দোয়া না করলে আল্লাহ রাগান্বিত হন। তিনি বান্দার ডাকে সর্বদা সাড়া দেন।আল্লাহ কোরআনে বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। (সুরা মুমিন:৬০)
দান ও সেবা মহত কাজ। দুস্থ ও অসহায়ের মুখে হাসি ফুটানো গেলে সামাজিক বৈষম্য কমে আসবে। দান করার ক্ষেত্রে স্বধর্ম-বিধর্ম তফাত করার প্রয়োজন নেই।
ইসলামে নিরপরাধ মানুষ হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। পবিত্র কোরআনের ভাষায়- পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার মতো। ইরশাদ হয়েছে, ‘নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কারণ ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে দুনিয়ার সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করল আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল।’ (সুরা মায়েদা: ৩২)
কোরআন ও হাদিস থেকে জানা যায়, নেক আমল মানুষের পরকালের পাথেয়। পরকালে আমলের পূর্ণ প্রতিদান পাওয়া যাবে। কিন্তু কিছু বিশেষ আমল এমন আছে, যেগুলো পরকালে ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে।
কোরআন ও হাদিস থেকে জানা যায়, নেক আমল মানুষের পরকালের পাথেয়। পরকালে আমলের পূর্ণ প্রতিদান পাওয়া যাবে।
আল্লাহ তাআলা কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় বান্দাকে সহজে জান্নাত লাভের পথ নির্দেশ করেছেন।
হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন, তোমরা মাথা ওঠাও। অতঃপর তারা মাথা ওঠালে তাদের আমল অনুপাতে নূর প্রদান করা হবে।