পাকিস্তানে পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি বুধবার মধ্যরাতে পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। এখন কেয়ারটেকার সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলবে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পাকিস্তানে নতুন পার্লামেন্টের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- ঐতিহাসিক টেস্ট জয়: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে চলছে বাংলাদেশ-বন্দনা
- * * * *
- এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে রেকর্ড, ১৩ লাখ আবেদন
- * * * *
- পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সচিবদের স্বাক্ষর শেষ, কার বেতন কত বাড়ল
- * * * *
- রেকর্ড দামে বিক্রি হলো ফেরারির প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি
- * * * *
- দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান
- * * * *
পাকিস্তানে
বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের দিন বদলে করা হয়েছে। প্রথমে জানানো হয়েছিল, ১৫ অক্টোবর গুজরাটের আহমেদাবাদ নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ হবে। স্টেডিয়াম এক থাকলেও বদলে গেছে তারিখ।
দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক হলেন ইনজামাম-উল-হক। এর আগে ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক।
পাকিস্তানে একাধিক বোমা হামলা নয়জন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে স্থানীয় রাজনীতিবিদসহ সাতজন নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০০ জন।
মেয়াদ পূর্তি হওয়ার চারদিন আগে আগামী ৯ আগস্ট পাকিস্তানের সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে। সংবিধান অনুসারে, সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু নতুন জনশুমারি প্রতিবেদন গ্রহণ করার ফলে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অন্তত পাঁচ মাস পিছিয়ে যেতে পারে।
জনসংখ্যা বেড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানে। বর্তমান জনসংখ্যার নির্দিষ্ট সংখ্যা বের করতে ২০২৩ সালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশজুড়ে আদমশুমারি চালায় দেশটি।
সংবিধান অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান সরকার। এরই অংশ হিসেবে সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ তৈরির দিনক্ষণও স্পষ্ট করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহতদের মধ্যে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ভয়াবহ ওই বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। সংবিধান অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের পর নির্বাচন আয়োজনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।