উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে টানা ৩ সপ্তাহ ধরে পানি বৃদ্ধি পেয়ে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ডপয়েন্টে আরো ২১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৩ এবং কাজিপুরের মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
- তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়
- * * * *
- প্রতিটি বন্দরে সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
- জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ
- * * * *
- সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
- * * * *
- প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে যা বললেন মুশফিকুল ফজল আনসারী
- * * * *
পান
সিলেটে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি এখনও বাড়ছে। তবে, বৃষ্টি কমায় কিছু কিছু এলাকায় পানি কমছে।দুর্গত এলাকার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিদ্যুৎ ও মোবাইল ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।
দেশের যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিবন্দি হয়ে আছে, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোতে শ্রেণি পাঠদান স্থগিত রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বইরী আবহাওয়ার কারণে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারো হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে।
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল আর অতি ভারী বৃষ্টিতে নদনদী ও হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার আরো বিস্তৃতি ঘটেছে।
জাপানি মুদ্রা ইয়েনের ব্যাপক দরপতন ঘটেছে। সোমবার দিনের শুরুতে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য ব্যাপকভাবে পড়ে যায়।
ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তার পানি এখন বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই। রোববার সকাল ছয়টায় লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি ছিল বিপদসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচে। যেকোনো মুহূর্তে তা বিপদৎসীমা ছারিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় চড়আঙ্গারু গ্রামে বসবাস করে আলেয়া খাতুন। স্বামী কৃষি কাজ করে। স্বামীর কাজে সহযোগিতা করে আলেয়া। আলেয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে।
যশোরের বাঘারপাড়ায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (৩০ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ইউক্রেনের মিকোলেইভ শহরে রাশিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে পানির লাইন বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। রাশিয়ার ছোড়া বোমার ভয় তুচ্ছ ভেবে পানি নিচ্ছে লাইন ধরে। আগে দরকার পানি এখানকার বাসীন্দাদের।