কুড়িগ্রামে আবারও হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।
প্রবাহ
জানুয়ারির প্রথম ১৭ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৮৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
শীতের ভরা মৌসুম হলেও জেঁকে বসা শীতের দেখা মিলছে না দেশের অধিকাংশ এলাকায়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসের বাকি দিনগুলোতে হাড়-কাঁপানো শীত বা বড় কোনো শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এই কারণে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
কুড়িগ্রামে গত এক সপ্তাহ ধরে শীত জেঁকে বসেছে। তাপমাত্রার পারদ ৯ থেকে ১১ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছে প্রতিনিয়ত। ফলে তিনদিন ধরে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
জানুয়ারির প্রথম ১২ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৬৮.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৪৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।
সোমবার আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, দেশের আট জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহ সঙ্গী করে দাপটে রয়েছে হাড় হিম করা শীত। দিনের বেশিরভাগ সময়ই দেখা মিলছে না সূর্যের। এতে ক্রমেই যেন বাড়ছে শীতের অনুভূতি।
রংপুর-রাজশাহী দুটি বিভাগই পুরোপুরি শৈত্যপ্রবাহের আওতায়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া– সব মিলিয়ে ২৪ জেলা। বৃহস্পতিবার ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে, যা অন্তত আরও কয়েক দিন স্থায়ী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।