প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে আংশিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কোনও সুযোগ নেই। এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রস্তাব দেয় গ্রামাঞ্চলে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দিতে।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
প্রাথমিক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
করোনা পরিস্থিতি পার হওয়ার পর পুনরায় স্কুল চালুর জন্য জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত যেসব নিয়ম মানতে হবে সে বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
‘মেধার মূল্যায়ন করতে সব সময় সচেষ্ট রয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকার। তাই বর্তমান সরকারের আমলে নিয়োগ বাণিজ্য নেই। মেধার ভিত্তিতে চাকরি পাচ্ছেন সবাই। যারা নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করছেন-তারাই চাকরি পাচ্ছেন।’
স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। বৃহস্পতিবারের (২৭ আগস্ট) মধ্যে এই সিদ্ধান্ত খোলার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পরীক্ষা এ বছর হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।
আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন।
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের মেয়াদ দুই মাস বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অনির্ধারিত ছুটির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।