পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং আইসিটি খাতে বিনিয়োগের জন্য ব্রাজিলের বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
বিনিয়োগ
সামাজিক মিডিয়া কোম্পানি টুইটারে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগকারী হিসেবে সৌদিদের অবস্থান অক্ষুণ্ন রয়েছে। অ্যালন মাস্ক প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয়া সত্ত্বেও সৌদি আরবের কিংডম হোল্ডিং কোম্পানি (কেএইচসি) ও প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালাল টুইটারে ১.৮৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ধরে রেখেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন সোমবার যুক্তরাজ্য থেকে নতুন ও বাড়তি বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে দূষণমুক্ত জ্বালানি, আইসিটি ও কৃষিখাত অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
দেশের রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তাদের আওতাধীন আটটি শিল্প অঞ্চল (ইপিজেড) ২০২১-২২ অর্থবছরে রেকর্ড উচ্চ কর্মসংস্থান, রফতানি আয় এবং বিনিয়োগ দেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল এবং ফার্মাসিউটিক্যালসসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ তাদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রদানের প্রস্তাব দিতে পেরে সন্তুষ্ট।
বাংলাদেশে ৮শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায় ৯ ভারতীয় কোম্পানি। এক্ষেত্রে তারা নিত্যপণ্য, পরিবহনখাত, পর্যটন এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। ইতোমধ্যে কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছে এবং বাংলাদেশের নিটল গ্রুপের সঙ্গে ৩’শ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আবদুল মোমেন, বাংলাদেশে আরো জাপানি বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।টোকিওতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসার সাথে আজ জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ড. মোমেন এ আমন্ত্রন জানান।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, শিক্ষার জন্য বরাদ্দকে সরকার ব্যয় মনে করে না বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশের সুবিধাজনক ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনা করে বাংলাদেশে অস্ট্রিয়ার বৃহত্তর বিনিয়োগের জন্য দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ও আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতির ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ এ অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।’