যখন গরম চরমে ওঠে, তখন আমরা বেশিরভাগই ঠান্ডা ও সতেজকারক কিছুর দিকে হাত বাড়াই।
বেশি উপকার
খাবারের শেষে এক বাটি দই, কিংবা গরমের দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল দুটোই আমাদের চেনা ও প্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো হজমের জন্য আসলে কোনটি বেশি উপকারী? পেটের গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বদহজম বা অস্বস্তির মতো সমস্যায় অনেকে দই খান, আবার কেউ ভরসা রাখেন ঘোলের ওপর।
রোজা এলেই ইফতারের টেবিলে ছোলা প্রায় অপরিহার্য একটি খাবার। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর পুষ্টি জোগাতে অনেকেই এ ডালজাতীয় খাদ্যের ওপর নির্ভর করেন।
মুলা এমন একটি সবজি, যা কাঁচা ও রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়। তবে কোন পদ্ধতিতে খাওয়া আপনার জন্য বেশি উপকারী হবে, তা নির্ভর করে আপনার শারীরিক প্রয়োজন এবং হজমক্ষমতার উপর।
বেশিরভাগ মানুষ মুরগির লেগপিস খেতে বেশি পছন্দ করেন। অনেকের ধারণা, লেগপিসের মাংস বেশি সুস্বাদু ও নরম, আর ব্রেস্টপিস তুলনামূলকভাবে শক্ত ও খেতে কষ্টকর। তাই স্টেক বা বিশেষ রান্না ছাড়া অনেকেই চিকেন ব্রেস্টপিস এড়িয়ে চলেন।
ডিমকে কীভাবে আরও পুষ্টিকর করে তোলা যায় এমন ভাবনা নিশ্চয়ই আপনার মাথায়ও অনেকবার এসেছে। ডিমের স্বাদ কীভাবে আরও ভালো করা যায়।
শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় মৌসুমি সংক্রমণও। এসময় সবাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য পরিচিত ফলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
রোদ আমাদের শত্রু নয়, বরং প্রাকৃতিক চিকিৎসক। ঠিক সময়ে সূর্যের আলো গায়ে লাগালে শরীর যেমন পায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন, তেমনি মেজাজও হয় চনমনে। কিন্তু অনেকেই জানেন না— কোন সময়ের রোদ শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।
রান্নার তেল শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি আমাদের স্বাস্থ্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
আমাদের রান্নাঘরে যেসব উপাদান সব সময় পাওয়া যায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ঘি। গরম ভাতে একটু ঘি হলে, আর কী লাগে। তা ছাড়া ঘিয়ে ভাজা পরোটা, হালুয়া বা খিচুড়ির স্বাদ তো অনন্য। তরকারির স্বাদ বাড়াতেও এই উপাদানের জবাব নেই।