অনেকেরই নিজের অজান্তে বারবার মুখে হাত দেওয়ার অভ্যাস আছে। অনেকে মুখে কোনো ব্রণ বা ফুসকুড়ি উঠলে সেখানে বারবার স্পর্শ করেন।
ব্রণ
সবার ত্বক একরকম হয় না। কেউ কেউ খুব বেশি ব্রণের সমস্যায় ভোগেন। গরম হোক বা শীত—সবসময়ই তাদের মুখে ব্রণ হয়। আর ব্রণ চলে গেলেও দাগ সহজে যেতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে কেউ কেউ বিভিন্ন কসমেটিক্স ব্যবহার শুরু করে।
প্রতিমাসের ৪-৫টি দিন বেশিরভাগ নারীকেই অস্বস্তিতে কাটাতে হয়। ঋতুস্রাব বা পিরিয়ডের এই কটা দিনে কেউ ভোগেন তলপেট ব্যথায়। কারো মুখ ভরে যায় ব্রণে। অনেকের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের দিনক্ষণ ঘনিয়ে এলেই মুখে ব্রণ ওঠে।
ব্রণ শুধু মুখ বা শরীরের অন্য অংশে হয়, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনেক সময় মাথার ত্বকেও ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা ব্রণ দেখা দেয়। যা অস্বস্তি, চুলকানি এমনকি ব্যথারও কারণ হতে পারে।
ব্রণ সবচেয়ে পরিচিত ত্বকের সমস্যা। যা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অতিরিক্ত তেল উৎপাদন, ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের মতো কারণে ঘটে।
চেহারা সৌন্দর্য অনেকাংশে কমিয়ে দেয় ব্রণ। এটি ত্বকে ক্ষত ও দাগ সৃষ্টি করে। আর তাই যাদের ব্রণ আছে তারা এটি থেকে মুক্তির উপায় খোঁজেন। ঘরোয়া কিছু উপাদান রয়েছে যা ব্রণ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কিছু মসলাও এ কাজে সিদ্ধহস্ত। এমন একটি মসলা হলো আদা।
শীতে কারো কারো ব্রণের সমস্যা বেড়ে যায়। তৈলাক্ত ত্বকের পাশাপাশি শুষ্ক ত্বকের মানুষদেরও প্রায়ই ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ব্রণের সমস্যায় পড়তে হয়।
আমাদের দেশেই শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিশোর-কিশোরীদের ব্রণের সমস্যা দেখা যায়। ব্রণ মূলত বয়ঃসন্ধিকালীন একটি সমস্যা। তবে বিভিন্ন বয়সে নারী ও পুরুষদের ব্রণের সমস্যা দেখা যেতে পারে।
ব্রণ এক দুঃস্বপ্নের নাম। ঈদের আগে সতেজ ও ব্রণহীন ত্বক পেতে ঘরোয়া উপকরণের সাহায্যে রূপচর্চা করতে পারেন। ব্রণ কিন্তু একদিনে সারার জিনিস না। কাজেই একরাতের ভেতর চট করে ব্রণ সেরে যাবে কোনো কোম্পানির এমন চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে টাকা নষ্ট করে সেই সব হার্মফুল কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট না কিনে
ব্রণের সমস্যায় অনেক নারী-পুরুষই ভোগেন। ধুলাবালি, অতিরিক্ত দূষণ, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা, পর্যাপ্ত পানি পান না করা ইত্যাদি কারণে মুখের ত্বকে দেখা দেয় ব্রণ। শুধু মুখ নয়, পিঠেও দেখা দিতে পারে ব্রণের সমস্যা।