ভারত ও নেপালে কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ১শ’র বেশী লোকের মৃত্যু হয়েছে। আরো অনেক নিখোঁজ রয়েছে। কর্মকর্তারা বুধবার এ কথা জানান।
ভূমিধস
ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। করোনার দাপটের মাঝেই দোসর প্রবল বর্ষণ ও ভূমিধস। যার ফলে শনিবার পর্যন্ত সরকারী হিসাব মতে মৃতের সংখ্যা ছিল ১১২। তবে বেসরকারী হিসেবে মৃত্যু প্রায় ১৪০ জন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ অন্তত ৯৯ জন। কমপক্ষে ৫৫জন গুরুতর আহত। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।
লাগাতার বৃষ্টির জেরে জায়গায় জায়গায় ধস। তাতে একসঙ্গে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ভারতের মুম্বই থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়গড় জেলার কোঙ্কণে। বৃহস্পতিবার সেখানকার বেশ কিছু জায়গায় ধস নামে। তাতে এক জায়গা থেকে ৩২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। অন্য একটি জায়গা থেকে আরও চারটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জাপানে ভারী বৃষ্টির পর এক বিরাট ভূমিধসে আতামি শহরে অন্তত বিশ জন মানুষের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পাহাড়ের ওপর থেকে প্রচন্ড বেগে নেমে আসা কালো কাদা মাটির ঢল নেমে সমুদ্রের দিকে বয়ে চলেছে।
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নদীর তীরবর্তী কয়েক শ গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইয়েদ ইব্রাহিম রায়িসি ভূমিধস বিজয় লাভ করেছেন।
ভিয়েতনামের কুয়াং ট্রি প্রদেশে সেনাবাহিনীর ব্যারাকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। আজ রবিবারের এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন
চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার কিছু অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা হতে পারে। অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ভূমিধ্বসের আশঙ্কা রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় টানা দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ভারী বৃষ্টি চলছে। দেখা দিয়েছে বন্যা ও ভূমিধস। তাতে অন্তত ২১ জন মারা গেছে। গত সাত বছরে দেশটিতে এত পরিমাণ বৃষ্টি হয়নি।
মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে জেড পাথরের খনিতে ভূমিধসের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে এখন ১১৩ জন হয়েছে।