মহানবী (সা.

ইনসাফ কায়েমে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ

ইনসাফ কায়েমে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ

ইনসাফ ও ন্যায়বিচার এক মহত্ গুণ। ন্যায়বিচার  ব্যক্তিকে সবার কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়পাত্র করে তোলে। শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য ইনসাফ অপরিহার্য বিষয়। 

মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক শিক্ষার মূলকথা

মহানবী (সা.)-এর রাজনৈতিক শিক্ষার মূলকথা

মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাঁর গোটা জীবন বিশ্ববাসীর জন্য উত্তম আদর্শ ও অব্যর্থ মাইলফলক। তাঁর জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে উম্মতের জন্য শিক্ষা নেই।

তরুণ প্রজন্মের কাছে মহানবী (সা.) এর জীবনাদর্শ তুলে ধরার আহ্বান বাণিজ্য উপদেষ্টার

তরুণ প্রজন্মের কাছে মহানবী (সা.) এর জীবনাদর্শ তুলে ধরার আহ্বান বাণিজ্য উপদেষ্টার

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর যাপিত জীবনমানব জাতির জন্য অনুপম আদর্শ। তিনি ছিলেন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ, কিন্তু অতি সাধারণ ছিল তার জীবন। তরুণ প্রজন্মের কাছে তার অনুকরণীয় জীবনদর্শন তুলে ধরতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

মহানবী (সা.): রহমতের প্রতীক

মহানবী (সা.): রহমতের প্রতীক

মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ

ইসলামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র), দারুল আমন (নিরাপদ রাষ্ট্র) ও দারুল খাওফ (ভীতিকর রাষ্ট্র)।