ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক বলেছেন, মহানবী (সা.) জীবনাদর্শ মানুষের মুক্তির দিশারি। তিনি বিশ্ব মানবতার জন্য অনুপম শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন। তাঁর জীবনাদর্শ আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিটি যুগ ও শতাব্দীর মানুষকে মুক্তির পথ দেখাবে।
মহানবী
মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন আল্লাহর দ্বিন কায়েমের মাধ্যমে নতুন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য। একটি উম্মাহ বা জাতির রূপকার হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-এর অন্যতম প্রধান কাজ ছিল এমন একদল সহচর ও অনুসারী গড়ে তোলা, যারা আল্লাহর বিধানের সামনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে। আর তারা যেকোনো প্রতিকূলতা সামলে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে। মক্কায় মুহাম্মদ (সা.) প্রধানত এ কাজটিই করেছেন।
মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন আল্লাহর দ্বিন কায়েমের মাধ্যমে নতুন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ দূরীভূত করে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
মানবিক আদর্শের দীপ্তিতে আলোকিত একটি কল্যাণধর্মী সমাজ প্রতিষ্ঠা ছিল বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়তি জীবনের অন্যতম লক্ষ্য।
আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা ও অকল্যাণ থেকে মুক্তির বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। আল্লাহর কাছে ভালো কিছু প্রার্থনা ও মন্দ কিছু থেকে মুক্তি চেয়ে কোরআনে একটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। মহানবী (সা.) কাবার সামনে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
ভালোবাসা মানুষের সহজাত অনুভূতি। মানুষ কোনো কিছুকে ভালোবাসে স্বভাবত, কখনো প্রয়োজনবশত, কখনো উপকার পাওয়ার কারণে।
দৈনন্দিন জীবনে মানুষ অনেক কথাই বলে। তবে অনেকে কথাবার্তায় সতর্ক নয়, বরং তারা এমন সব কথা বলে ফেলে, যা বলা অনুচিত।
মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) সীমাহীন ব্যথার ভারে মুহ্যমান হয়ে যান।
তৎকালীন আরবে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুদের দুধ মায়ের কাছে রেখে লালন-পালনের প্রচলন ছিল। উদ্দেশ্য ছিল, শিশুরা যেন গ্রামের সবুজ-শ্যামল পরিবেশে, স্নিগ্ধ হাওয়া ও দূষণমুক্ত পরিবেশে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে।