এই পৃথিবীতে একমাত্র নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতীক হলেন মা। যিনি সন্তানের জন্য নিজের সবটুকু বিলিয়ে দেন। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, গান, সিনেমা, ইতিহাস সবখানে মায়ের অসীম ত্যাগ ও ভালোবাসা নিয়ে রয়েছে অসংখ্য উদাহরণ। ধর্মেও মাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
- বেসরকারি মেডিকেলে এমবিবিএসে মেধাবীদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- * * * *
- শ্রীনগরে মোবাইল চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
- * * * *
- মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
- বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী
- * * * *
- চাঁদাবাজির মামলায় ছেলেসহ কারাগারে বিএনপি নেতা
- * * * *
মা দিবস
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট এক ভয়াবহ দুর্যোগ নেমে আসে হিরোশিমার ওপর। পৃথিবীবাসী প্রথমবারের মতো দেখে পারমাণবিক বোমার ধ্বংসযজ্ঞ।
আজ বিশ্ব মা দিবস। এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।
পৃথিবীর মধুরতম ডাক হলো মা। ছোট্ট এ শব্দের ভেতরে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে অকৃত্রিম ভালোবাসা। শৈশব থেকে আনন্দ-বেদনা-ভয় কিংবা উদ্দীপনা- প্রতিটি মানবিক অনুভূতিতে মায়ের নাম জড়িয়ে থাকে।
বিশ্বজুড়ে রবিবার (১২ মে) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মা দিবস। ইন্টারনেট জগতের জায়ান্ট গুগলও উদযাপন করছে দিবসটি। আন্তর্জাতিক মা দিবস উপলক্ষে বিশেষ ডুডল তৈরি করেছে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিনটি। শনিবার (১১ মে) দিবাগত রাত বারোটার পরই গুগল এই ডুডল প্রকাশ করেছে। যা রবিবার সারাদিন থাকবে।
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়েছে
পৃথিবীর মধুরতম ডাক মা। ছোট্ট এ শব্দের অতলে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে অকৃত্রিম ভালোবাসা।
জাতীয় বীমা দিবস আজ শুক্রবার (০১ মার্চ)। ‘করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এবার পঞ্চমবারের মতো পালিত হবে জাতীয় এ দিবস।
আজ বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এ দিবস পালিত হয়। সেই হিসেবে আজ (১৪ মে) বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পালিত হচ্ছে দিবসটি।
বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য–‘হ্যাঁ, আমরা যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারি’। যক্ষ্মা রোগের ক্ষতিকর দিক বিশেষ করে স্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর এ দিবসটি পালন