অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, তৌহিদী জনতা নামে আপনারা যারা নিজেদের পরিচয় দেন, তাদের আমি হুমকি দিইনি, সতর্ক করেছি। কেন করেছি? গত ১৫ বছর নিপীড়ন সহ্য করে এবং অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখে সব নাগরিকের মতোই আপনারা একটি জাতীয় সম্ভাবনা হাজির করেছেন।
মাহফুজ
যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে নির্বিচারে হামলা ও ভাঙচুরে অংশ নিচ্ছেন, অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হলেও সরকার তাদের দমন করতে বদ্ধ পরিকর বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, কথিত আন্দোলন আর মবের মহড়া শক্ত হাতে মোকাবিলা করা হবে।
সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, থামুন! শান্ত হন। সরকারকে কাজ করতে দেন।
ভাঙার প্রকল্প থেকে সরে এসে দিনকে দিন আমাদের গড়ার প্রকল্প হাতে নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ভারতের উচিত বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতা উপলব্ধি করা এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেওয়া।
‘অনেক মিত্রই আজ হঠকারীর ভূমিকা’ বলে মন্তব্য করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আমরা আমাদের ব্যর্থতা স্বীকার করি। আমরা শিখেছি এবং ব্যর্থতা কাটানোর চেষ্টাও করছি। আমরা আরও চেষ্টা করব সবাইকে নিয়ে এগুনোর। কিন্তু, হঠকারিতা এবং ছাত্রদের অন্যায্যতার চেষ্টা এ জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, কন্যার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে শেখ মুজিবের ছবি সরানো হয়েছে (কর্মকর্তারা সরিয়েছেন, যদিও তা হয়েছে); যে শাসন মেয়ে করেছেন ফ্যাসিবাদী বাবার নামে ও তার একাত্তর
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘গণভবন যেটা আসলে গণবিরোধী ছিল। যেখানে বসে ছিলেন একজন ফ্যাসিস্ট ও খুনি। বাংলাদেশের মানুষের সাথে দম্ভের সঙ্গে আচরণ করত। বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের মানবিক মর্যাদা বাঁচাতে এখানে এসে তার দম্ভ ভেঙে দিয়েছে।’
‘ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসারে আইনগত ব্যারিয়ার রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই-আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য ৩০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।