ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে যারা দেশ পরিচালনা করছেন তাদের মধ্যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়কও রয়েছেন। তবে গুঞ্জন উঠেছে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।
- সিরিজ সাক্ষাৎকারে হাসিনা, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’
- * * * *
- অফিসার পদে নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক
- * * * *
- ঢাকা ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, থাকছে না বয়সসীমা
- * * * *
- ‘সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক’
- * * * *
- জামায়াত আমিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- * * * *
রাজনৈতিক দল
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মোজেনা বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক দলের উত্থান ঘটতে পারে।
রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপাতি বিজয়। তাকে দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারী দেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৪৪টি দলের মধ্যে ৩০টি দল প্রার্থী মনোনয়নসহ নানান কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নয়টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ১৪ নেতার একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে চলমান রাজনৈতিক সংকট কীভাবে সমাধান হবে, সে প্রক্রিয়া রাজনৈতিক দলগুলোকেই নির্ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
বাংলাদেশে সম্প্রতি দুটি স্বল্পপরিচিত রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেয়ার পর প্রত্যাশী অন্য দলগুলো নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, নির্বাচনের আগে আগে নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশের অব্যাহত উন্নয়নের জন্য সকল রাজনৈতিক দলকে কাজ করতে হবে।মঙ্গলবার বিকেলে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্র পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে রেখে অন্য রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে ‘সমর্থন’ করে না।