রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল ও মেশিনারি পণ্য নিয়ে রাশিয়া থেকে দু’টি জাহাজ মোংলা বন্দরে ভিড়েছে।
রূপপুর
কমিশনিং-এর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। এরই অংশ হিসেবে চলতি মাসের ৮ তারিখ রিয়্যাক্টরটি উন্মুক্ত রেখে বিভিন্ন সিস্টেমের “ফ্লাশিং” এর কাজ শুরু হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সম্পন্ন হবে বিশেষায়িত ‘পোস্ট ইন্সটলেশন ক্লিনিং (পিআইসি)’।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করার চেষ্টা করছে।
সর্বোত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বাংলাদেশকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন চুল্লি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা-‘রোসাটম’র মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ।
আগামী ২০২৩ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দেশের প্রথম পারমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ও শেষ ইউনিটের চুল্লি (রিঅ্যাকটর প্রেসার ভেসেল) স্থাপনের উদ্বোধন করেছেন।
পাবনা প্রতিনিধি:রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোমের প্রাক-সংযোজন কাজ শুরু হয়েছে। ডোমের সংযোজন এবং স্থাপনের দায়িত্ব পালন করছে রসাটম প্রকৌশল শাখার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ট্রেস্ট রসেম।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইতোমধ্যে নির্মীত হাইড্রো-অ্যাকুমুলেটরের বডির ভেতর বিভিন্ন যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে রাশিয়ার এইএম-টেকনোলোজিসের পেত্রোজাভোদস্ক কারখানায়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের টার্বাইন হলে মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) ২০২২ নকশা অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে সফলভাবে জেনারেটর স্টেটারের স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। টার্বাইন হলের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির মধ্যে জেনারেটর স্টেটার অন্যতম; যার কাজ হলো টার্বাইন থেকে প্রাপ্ত যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তর করা।
যুদ্ধ চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন। এতে অনেকেই তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। বিশ্ববাসী এ যুদ্ধ নিয়ে চরম উদ্বিঘ্ন।কয়েক হাজার মাইল দূরে বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ওই দু’দেশের বহু নাগরিক নিয়োজিত রয়েছেন।