বৈশিক করোনাভাইরাসের কারনে প্রায় ৮ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। করোনাভাইরাসের কারনে কয়েক ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখনো দেশে প্রতিদিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে গড়ে ২০ জন। এর মধ্যেই আগামী ১৪ নভেম্বরের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া যায় কিনা, তা ভাবছে সরকার।
শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য সারা দেশে জেলায় জেলায় পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে বলে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হবে।
‘শিক্ষার্থীদের সহজে শিক্ষা চালিয়ে নিতে শিক্ষা ঋণ দেওয়া যেতে পারে। আমি সংসদে বলেছি, প্রধানমন্ত্রী মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়েছেন। আমরা এখন থেকে শিক্ষা ঋণ দেওয়ার কথা ভাবছি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের প্রত্যেক উপজেলায় একজন করে চাইল্ড সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে।
কুবি প্রতিনিধি:
"বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে হত্যা করার জন্য। একাত্তরের পরাজিত শক্তি, দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা এই হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর ঘনিষ্টতম সহযোগীদের হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অন্ধকারযুগে ফিরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছিলো।"
করোনাকালীন এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদেরকে উজ্জীবিত রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ।
ইতিমধ্যে আমরা দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এখন প্রয়োজন শিক্ষার গুণগত মান অর্জন। শিক্ষার সকল পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সরকার আর শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন,শিগগিরই একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করা হবে।