মূর্তিপূজা থেকে দূরে থাকা সহজ, কিন্তু মনের ভেতরের ‘অদৃশ্য মূর্তিপূজা’ চেনা কঠিন। শিরকের একটি সূক্ষ্ম রূপ হলো নিজের প্রবৃত্তি বা ইচ্ছাকে আল্লাহর হুকুমের ওপর প্রাধান্য দেওয়া। এটি এমন এক অদৃশ্য জাল, যা মুমিনের ঈমানকে নীরবে ক্ষয় করে।
শিরক
ইসলামি বিশ্বাস ও শরিয়তের দুটি মৌলিক ভিত্তি হলো- এক. তাওহিদের প্রতি অটল বিশ্বাস ও দুই. হালাল রিজিক আহরণের নিরলস চেষ্টা।
নোয়াখালী প্রতিনিধি:মাদক, শিরক থেকে নিজের গ্রামকে রক্ষার জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের পূর্ব পদুয়া ও পশ্চিম নুরসোনাপুর গ্রামের যুবসমাজ।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা শিরককে বড় জুলুম বলে সাব্যস্ত করেছেন। ইরশাদ হয়েছে- وَ اِذۡ قَالَ لُقۡمٰنُ لِابۡنِهٖ وَ هُوَ یَعِظُهٗ یٰبُنَیَّ لَا تُشۡرِكۡ بِاللّٰهِ ؕؔ اِنَّ الشِّرۡكَ لَظُلۡمٌ عَظِیۡمٌ ‘আর স্মরণ করুন সেই সময়ের কথা, যখন লুকমান উপদেশ দিয়ে তার পুত্রকে বলল, হে বৎস, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা বড় জুলুম।’
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। কিন্তু যথাযথভাবে নামাজ না পড়লে নামাজ কবুল হয় না। আবার আল্লাহর সন্তুষ্টি বাদ দিয়ে মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্য থাকলেও নামাজ কবুল হয় না।
প্রত্যক্ষ হোক বা পরোক্ষ হোক, ছোট হোক বা বড় হোক, সব প্রকার শিরক থেকে মুক্ত থাকতে হবে। অর্থাৎ নিজের মধ্যে শিরকের ছিটাফোঁটাও থাকতে পারবে না। নিজের ভেতর থেকে এটিকে এমনভাবে সমূলে উচ্ছেদ করতে হবে যাতে সেখান থেকে পুনরায় শিরকের চারা গাছ না গজাতে পারে।
শিরক হলো আল্লাহ তায়ালার সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শরীক করা, কাউকে তার সঙ্গে তুলনা করা এবং কাউকে তার অংশীদার মনে করাকে শিরক বলে।