তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
শীতে কাঁপছে
কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীতে কাপঁছে দিনাজপুরবাসী। উত্তরের হিম শীতল বাতাসে জনজীবনে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম ছিল। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে।
দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলাটিতে।
কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে কম্পন সৃষ্টি করেছে। এতে কুয়াশার সাথে শীতের দাপটে কাঁপছে দিনাজপুরবাসী।
সোমবার সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৮২ শতাংশ ছিল।
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উত্তর থেকে বয়ে আসা কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ে তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ।
নওগাঁয় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও সন্ধ্যার পর রাতে ঠান্ডার প্রভাব বেশি থাকছে। তীব্র ঠান্ডা এবং হিমেল বাতাসের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষ।
দেশের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। গত তিনদিন ধরেই হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
শীতে কাঁপছে দিনাজপুরের মানুষ। গত দুই দিন থেকে দেখা মিলছে না সূর্যের। বৃষ্টির মতো ঝরছে শীত আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে এ জেলা।
তীব্র শীতে কাঁপছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। দুই দিন তাপমাত্রা বাড়ার পর পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রির ঘরে।