কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসের দাপটে নওগাঁয় আবারও থমকে দাঁড়িয়েছে জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। এতে নিদারুণ কষ্টে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
শীতের তীব্রতা
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে কুয়াশার পরিমাণ কম হওয়ায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সকাল সকাল রোদের দেখা মিললেও তাপমাত্রা যেখানে ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ঘরে ওঠানামা করছে।
শীতের জেলা হিসেবে পরিচিত উত্তরের পঞ্চগড়ে কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছিল।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় কমেছে শীতের তীব্রতা। গত তিন ধরে ১০ এর ঘরে রেকর্ড হচ্ছে তাপমাত্রা।
দিনাজপুরের সীমান্ত ঘেঁষা হিলিতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন সূর্য না উঠা পর্যন্ত থাকছে শীতের প্রকোপ। সেই সাথে পড়েছে ঘন কুয়াশা। কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। শীত উপেক্ষা করেই যানবাহনে চলাচল করছেন যাত্রীরা। জীবিকার তাগিতে কাজ করছেন শ্রমিকেরা। আকাশ মেঘাছন্ন হয়ে আছে।
কুড়িগ্রামে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমতে থাকায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এ অবস্থায় দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষজন। মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকছে বিস্তীর্ণ এলাকা। শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বিভিন্ন রুটে যানবাহনগুলো বিলম্বে যাতায়াত করছে।
শীত জেঁকে বসেছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে। এ অঞ্চলের বেশিরভাগ জেলাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৩ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পঞ্চগড়ে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা বেড়ে কমেছে শীতের তীব্রতা। তাতে জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় একই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
শীতের তীব্রতায় অসহনীয় হয়ে উঠেছে জয়পুরহাটের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। টানা কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না।
চুয়াডাঙ্গায় বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। আজ সকাল ৭টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।