চুয়াডাঙ্গায় আবারও কমেছে তাপমাত্রা। গত কয়েকদিনের তুলনায় তাপমাত্রা কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। কুয়াশা না থাকলেও হিমেল হাওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ।
- দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে কোটালীপাড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ
- * * * *
- আড়াইহাজারে বায়ুদূষণের দায়ে টেক্সটাইল কারখানাকে জরিমানা
- * * * *
- ২৯ বছরেও চালু হয়নি সেতু, সংযোগ সড়কের অভাবে ভোগান্তিতে মানুষ
- * * * *
- জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু
- * * * *
- ইতালির সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ
- * * * *
শীত
পাবনা প্রতিনিধি: মাঘের শীত-বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে পাবনার জনজীবন। বৃহস্পতিবার(০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শুক্রবার সকাল থেকে হচ্ছে টানা বৃষ্টি। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবশ্য বৃষ্টি কিছুটা বিরাম দিয়েছে।
লঘুচাপের প্রভাবে শুক্রবার দেশের একাধিক স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার বিকেলের পর থেকে বৃষ্টিপাত কমতে শুরু করবে।রবিবার (আগামীকাল) থেকে মূলত আকাশ মেঘমুক্ত হবে। এরপর তাপমাত্রাও কমবে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি। কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা কমে শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি হতে পারে।
শীতকালে বাজারে গাজরের অভাব নেই। বিশেষজ্ঞরা গাজর খেতে উৎসাহ দিয়েছেন। শীতকালে সংক্রমণের প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই ঠান্ডার দিনগুলোতে সুস্থ থাকার প্রয়াসে নিয়মিত গাজর খেতে পারেন।
সারাদেশে চলতে শৈত্যপ্রবাহ । যার ফলে জনজীবন অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দেশের উত্তরের জেলা গুলোর সাধারণমানুষ। তবে সেই শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়ে শীত আজ থেকেই কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরই মেধ্যে এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
শীতের সময়ে মলিন আবহাওয়ায় উদাসীন মন ঠিক করতে সহায়তা করে বিশেষ কিছু খাবার। শীতে কুয়াশার মতো মনের ওপরেও উদাসীনতার ছায়া পড়ে, যা ‘উইন্ড ব্লুজ’ নামে পরিচিত।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু ও মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ কিছু কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে।
চুয়াডাঙ্গায় অব্যাহত রয়েছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। মাঘের হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে এ জেলার জনজীবন। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ। সন্ধ্যা গড়ালেই নেমে যাচ্ছে তাপমাত্রা
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু ও মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
শীতের সময়ে গরম পানির কদর বেড়ে যায়। কেউ গোসলের জন্য গরম পানি ব্যবহার করেন, কেউ পান করার জন্য।