যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসসিআইআরএফ এর প্রতিবেদনে ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন এবং তাদের জীবন ও সম্পদের ওপর আক্রমণের বেশ কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে।
সংখ্যালঘু
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কিছু হামলার ঘটনা ঘটেছে, তবে সেটা ধর্মীয় কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রাজধানীতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সামনে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে অপপ্রচার নিয়ে ঢাকায় বিভিন্ন মিশনে দায়িত্বরত বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ব্রিফিংয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ইস্যুতে কূটনীতিকদের অবহিত করার পাশাপাশি ইসকনসহ সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ প্রসঙ্গ তুলে ধরা হবে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। ওই দিন দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ করছে বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
lতথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা আমাদের দায়িত্ব। এ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেছেন, এ দেশের সব নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সব ধর্মের মানুষ আওয়াজ তুলে বলবে আমরা এখানে সংখ্যাগুরুও নই, কেউ সংখ্যালঘুও নই, সবাই সমান। আমি চাই এখানে (বাংলাদেশে) সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালঘু কথাটির কবর রচনা হোক।
দেশকে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘুর ভিত্তিতে ভাগ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।