সংস্কৃতি চর্চায় প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ছয়টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন তাগিদ দেন তিনি।
সংস্কৃতি
সাহিত্যের মধ্য দিয়ে দেশকে বিভিন্ন পর্যায়ে পৌঁছে দিতে লেখার কোনো বিকল্প নেই।
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা দেশীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানগুলোকে সংগ্রহ করে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা ভাষার বিকৃতি ঘটায়, সংস্কৃতিকে বদলে দিতে চায়, সেই অপশক্তি এবং সেই অপশক্তির পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের লালন ও বিকাশে পাড়ায় পাড়ায় সংস্কৃতি চর্চা আর দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, শুদ্ধ সংস্কৃতির চর্চা একটি সুন্দর সমাজ গড়তে অপরিহার্য। সৃষ্টিশীল সমাজ গড়তে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্ব এবং ডিজিটাল আর্কিটেক সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধান ও পরামর্শে প্রযুক্তির উদ্ভাবনী সংস্কৃতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পাটজাত বহুমুখী পণ্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহবান জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আরো বিকাশে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বীতা অর্জনের পাশাপাশি দেশের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো বিকশিত করায় তাঁর সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন শুক্রবার বলেছেন, বাংলাদেশ ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রচার করছে, যা আসলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তির দর্শন।