অফুরন্ত রহমত, বরকত, মাগফিরাত আর নাজাতের মাস রমজান শেষ হয়ে যাচ্ছে। রমজানের আমলভরা দিনগুলো বিদায় নিয়ে যাচ্ছে। মুমিনের হৃদয় কাঁদছে। তবে রমজান রেখে যাচ্ছে আমাদের জন্য মহান শিক্ষা।
সদকা
রোজা পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব এক ইবাদত। রমজানের শেষে সাধারণত আমরা এই ওয়াজিব ইবাদত আদায় করে থাকি। সমাজে ফিতরা নামে পরিচিত। আমাদের অনেকে ফিতরার মাসআলা, আদায়ের নিয়ম-পদ্ধতি জিজ্ঞাসা করে থাকেন।
রিজিক একমাত্র আল্লাহর হাতে। রিজিক বাড়ানো ও কমানোর মালিক একমাত্র আল্লাহ। তাই রিজিকে রবকত চাইলে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পদ্ধতিতে রিজিক উপার্জন, খরচ ও জমা করতে হবে। রিজিকে বরকত লাভের অন্যতম উপায় হলো, সদকা করা।
ঈদুল ফিতরের অন্যতম আমল হলো- সদকাতুল ফিতর। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে ঈদের দিন যারাই নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তাদের ওপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়ে যাবে।
ইসলাম মুসলমানদের ব্যাপকভাবে মসজিদ নির্মাণে উৎসাহিত করেছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে বিশেষ সাওয়াবের কথা ঘোষণা করে।
সুসন্তান মা-বাবার জন্য সদকায়ে জারিয়া। বহু নেককার মানুষ আছে, যাদের মৃত্যুর পর আমলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু যে মা-বাবা নেককার-পরহেজগার সন্তান রেখে কবরে যান, মৃত্যুর পর তাঁর নেকি অর্জনের পথ বন্ধ হয় না।