চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় অন্তত ৭২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৭৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে গণপিটুনিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার'–এর প্রকাশিত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজে ইরানের হামলা, বড় সংঘাতের আশঙ্কা
- * * * *
- বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ বিষয়ে হুথিদের কঠোর হুশিয়ারি
- * * * *
- আজ থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে বিপিসি
- * * * *
- শিগগিরই বাণিজ্যিক জাহাজে গুলির প্রতিশোধ নেবে ইরান
- * * * *
- মেক্সিকোতে সড়ক দুর্ঘটনায় মার্কিন ২ কর্মকর্তাসহ নিহত ৪
- * * * *
সহিংসতা
সিরিয়ার সুইদা প্রদেশে চলমান সহিংসতায় অন্তত এক লাখ ২৮ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পাবলিক কোয়ালিশন (বিপিসি)।
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর পিএসজির ভক্ত-সমর্থকদের উদযাপন শেষমেশ সুখকর থাকেনি। বরং পরিস্থিতি বাজে দিকে মোড় নেওয়ায় ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
কয়েকটি ব্র্যান্ড আউটলেটে অপ্রত্যাশিত হামলা ও ভাঙচুরের নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই নিন্দা জানান। তিনি বলেন, সহিংসতা কখনো প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না।
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ ও ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিল থেকে সোমবার (৭ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার তদন্তে সহায়তা করতে পারে এমন তথ্য যাদের কাছে আছে, তাদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
ভারতের মণিপুর রাজ্যে গত প্রায় দু’ বছর ধরে কেন সংঘাত-সহিংসতা চলল, কেন সহিংসতা থামানো গেল না এবং সংঘাত থামাতে কেন্দ্রীয় সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে— সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেসের
চাঁদাবাজি বন্ধ করা না গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতা বন্ধ করা যাবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সহিংসতার মূল কারণই চাঁদাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (১৭ মার্চ) রাত থেকে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘর্ষ চলেছে। ব্যাপক পাথর ছোড়াছুড়ি, দোকান ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। পরে কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।