জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জেরা শুরু হয়েছে।
- শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছে- শিবির সভাপতি
- * * * *
- অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে সাউথইস্ট ব্যাংক
- * * * *
- নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিজার : তুরস্কে এক শহরে শতাধিক চিকিৎসককে বহিষ্কার
- * * * *
- এবার বালেন শাহর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল
- * * * *
- দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের আরো ২ বছরের কারাদণ্ড
- * * * *
সাক্ষী
জুলাই গণহত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১১তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার আলোচিত সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে অপহরণ, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জুলাই আন্দোলনের সময় সাভারের আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানোর মামলায় রাজসাক্ষী হতে আবেদন করেছেন পুলিশ সদস্য শেখ আফজালুল হক। তিনি এই মামলার আসামি ও আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক।
জুলাই ও আগস্টে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি এই মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান বলেও জানিয়েছেন।
নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। এদিন, এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সকল সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে তলব করেছেন আদালত।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া মরহুম আল্লামা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে। তাদের সম্পর্কও দীর্ঘদিনের।
নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে তিন বিদেশী সাক্ষীকে দেশে আসার অনুমতি দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।