ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা নদীতে আকস্মিক বন্যার ভয়ানক গ্রাসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
- আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সমাধান নয়: বিপিএইচসিডিএ
- * * * *
- যশোরে প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
- * * * *
- শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করতে পারে যুক্তরাজ্য
- * * * *
- আরও ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার পেল ইসলামী ব্যাংক
- * * * *
- ট্রাম্পের চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির
- * * * *
সিকিম
ভারতের সিকিম রাজ্যে টানা ভারী বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও ২২ জন সেনাসদস্যসহ নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৮২ জন। বুধবার (৪ অক্টোবর) স্থানীয় সরকারি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাতভর বৃষ্টিতে ভয়াবহ অবস্থা ভারতের সিকিমের। আকস্মিক বন্যায় সবই ভেসে গেছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের ব্যাপার হলো তিস্তার থাবায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ। এর ফলে সিকিমের সাথে অবশিষ্ট ভারতের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রাতভর বৃষ্টিতে ভয়াবহ অবস্থা ভারতের সিকিমের। আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ ২৩ ভারতীয় সেনা।বুধবার সকালেই উত্তর সিকিমের সিংতামের কাছে তিস্তার পানির স্রোতে সেনা ছাউনি ভেসে নিখোঁজ হয় ২৩ জন সেনা সদস্য।
চিলাহাটি হয়ে নিউ জলপাইগুড়ি রুটে ট্রেন আগেও চলত, তবে ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর থেকে তা বন্ধ ছিল। দীর্ঘ ৫৬ বছর পর গত বছরের ১ জুন মিতালী এক্সপ্রেস এই রুটে যাত্রা শুরু করেছে।
ভারী বর্ষণ হচ্ছে ভারতের উত্তর সিকিমে। যার ফলে বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। গ্যাংটক থেকে উত্তর সিকিমের জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
ভারতের সিকিমের নাথু লায় তুষারধসে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসাথে বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে এই ধস নামে।
ভারতের সিকিমে আজ সোমবার ভোরে ভূমিকম্প হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। সোমবার ভোর ৪টা ১৫ মিনিট নাগাদ সিকিমের ইউকসাম শহরে কম্পন অনুভূত হয়।
ভারতের সিকিমের গ্যাংটকে ধসে মৃত মা ও তার দুই সন্তান। ধসের ফলে বিমল মঙ্গেরের বাড়ি ভেঙে যায়। বিমল এখনো নিখোঁজ। তার স্ত্রী ডোমা শেরপা, তাদের ১০ ও সাত বছর বয়সি দুই ছেলের মৃত্যু হয়েছে।প্রবল বৃষ্টির পরেই এই ধস নামে।