তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৪১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশ দুটিতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ২১৯ জনে।
সিরিয়ায়
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার লোক নিহত হয়েছে। এদিকে গত সোমবার ভোরে প্রধান ভূমিকম্পটির দেশ দুটিতে দুই হাজার চার শ'টি আফটারশক হয়েছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩৪ হাজার ছাড়িয়েছে। রোববার রাতে আলজাজিরায় প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৪ হাজার ১০৫ জন। এখনো অনেক লোক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে এ সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ অথবা তার চেয়ে বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে জাতিসঙ্ঘ।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার দাঁড়িয়েছে। শনিবার রাতে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে ২৯ হাজার ৭৮৯ জন। এখনো অনেক লোক চাপা পড়ে আছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার রাতে আলজাজিরা জানায়, ভূমিকম্পে নিশ্চিত মৃত্যু ২৫ হাজার ৪০১।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজারে ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মকর্তারা জানান, ভূমিকম্পে নিশ্চিত মৃত্যু ২৪ হাজার ৩৫২। এছাড়া আহত হয়েছে ৭৯ হাজার ৪৮৭ জন। ফলে এটি এই অঞ্চলে ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। ১৯৯৯ সালের ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিল অন্তত ১৭ হাজার লোক।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দুই দেশে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫১ জনে। আরো অসংখ্য লোক এখনো ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে থাকায় সংখ্যাটি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চাপা পড়া লোকদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা এখন বেশ ক্ষীণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, দুই দেশে মোট নিহতের সংখ্যা ১৫,৩৮৩ জন। হিমশীতল আবহাওয়ায় এখনো অনেক লোক ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে আছে। উদ্ধারকারীরা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে একে একে হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে আসছে। অনেক পরিবারের সব সদস্যই মারা গেছে।