সুরা কাহাফ পবিত্র কোরআনের একটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ সুরা। এর আয়াত সংখ্যা ১১০। এ সুরা তেলাওয়াতে অনেক সওয়াবের কথা বিভিন্ন হাদিসে পাওয়া যায়। বিশেষ করে জুমার দিনে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি।
- ম্যাকাই টেস্টে দুই দিনেই টাইগারদের ইনিংস ব্যবধানে বিশাল হার
- * * * *
- স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, নিবন্ধন ফিরে পেল বাংলা এডিশন
- * * * *
- মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪
- * * * *
- তিতাসে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, দুই কিলোমিটারজুড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়
- * * * *
- রাজশাহী রেলস্টেশনে পাইপ ফেটে ড্রেনে বিপুল পরিমাণ ডিজেল
- * * * *
সুরা
সুরা ইখলাস কোরআনের ১১২তম সুরা, আয়াত সংখ্যা ৪টি, রুকু ১টি। মক্কার মুশরিক বা মদিনার ইহুদিরা নবিজিকে (সা.) প্রশ্ন করেছিল, আল্লাহর বংশ-পরিচয় কী? তাদের প্রশ্নের জবাবে এ সুরা অবতীর্ণ হয়।
পবিত্র কোরআনের ১১২ নম্বর সুরা ইখলাস। এটি ইসলামের প্রাথমিক সময়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই সুরার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ তথা একত্ববাদে বিশ্বাসী হওয়া।
নামাজের ভেতর কেরাত পড়া বা কোরআন তেলাওয়াত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আমল।
সুরা কাহফ দাজ্জাল ও দাজ্জালি ফিতনার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮০৯)
সুরা ইয়াসিন পবিত্র কোরআনে কারিমের ৩৬তম সুরা। এই সুরাটি তিলাওয়াত করলে দুনিয়া ও আখিরাতে চারটি বিশেষ লাভের কথা হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে।
সুরা ইয়াসিন একটি মর্যাদাসম্পন্ন সুরা। গুরুত্বপূর্ণ এ সুরাটিকে পবিত্র কোরআনের হৃৎপিণ্ড বলা হয়। এই সুরার অনেক ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।
সুরা কাহফ দাজ্জাল ও দাজ্জালি ফিতনার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮০৯)
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি
আল-কোরআন মহামহিম স্রষ্টার মহিমান্বিত গ্রন্থ, যাতে বিধৃত হয়েছে মানুষের সফলতার পথ-কাহিনি।