ঈদের পর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
স্থানীয় সরকার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের তিনটি লাভ হয়েছে।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির যারা অবশিষ্টাংশ আছে তাদের প্রতিহত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
প্রশাসনের ফিটনেস ও নিরপেক্ষতা প্রমাণে সব না হোক, স্থানীয় সরকারের অন্তত সিটি করপোরেশন, উপজেলা বা পৌরসভার নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের আগে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন- জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হতে পারে, তার পরই জাতীয় নির্বাচন।
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদসহ স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন হবে স্বচ্ছ।একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিয়ে সকল সংশয় দূর করা হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভাবছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।