এক সময় যাকে ‘বর্ণবাদী’ এবং ‘অরাজকতার কারিগর’ বলে নিন্দা করেছিল হামাস, এখন তাকেই যুদ্ধ থামানোর সবচেয়ে বড় আশার প্রতীক হিসেবে দেখছে ফিলিস্তিনের
হামাস
যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে ফিলিস্তিনের গাজায় আটক থাকা জিম্মিদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার চারজনের লাশ ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দিয়েছে হামাস।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে। সোমবার (১৩ অক্টোবর) ২০ জিম্মির সবাই একসঙ্গে মুক্তি পাবেন।
ফিলিস্তিনের গাজা শহরে হামাসের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় দুঘমুশ পরিবারের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে। দক্ষিণ গাজা সিটিতে জর্ডানিয়ান হাসপাতালের কাছে হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে ওই অস্ত্রধারীদের গুলিবিনিময় করে।
বছরের পর বছর ধরে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবে একটি একক লাইন পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে : ‘হামাসকে নিরস্ত্র করতে হবে, গ্রুপটিকে ভেঙে ফেলতে হবে এবং তাদের গাজা ছেড়ে যেতে হবে।’ এই দাবিটি যেকোনো টেকসই শান্তির জন্য একটি অ-আলোচনাযোগ্য পূর্বশর্ত। তবুও, যাঁরা ইতিহাসের বই পড়েছেন অথবা যাঁরা প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাঁদের কাছে এটি প্রায় হাস্যকরভাবে নির্বোধ শোনাচ্ছে। যুক্তিটি যতটা ভঙ্গুর ততটাই পরিচিত : ‘যদি হামাস তার অস্ত্র ত্যাগ করে, শান্তি অবশ্যই আসবে।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধে শান্তি পরিকল্পনার প্রথম দফা কার্যকারে ইসরাইল ও হামাস একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস অস্ত্র সমর্পণে সম্মত হয়েছে—এমন খবরকে ‘বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে সংগঠনটি।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে জরুরি আলোচনার জন্য মিশরে অবস্থানরত হামাস ও ইসরাইলের প্রতিনিধিদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রতি হামাসের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।
গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলের হামলা নিরসনে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার বিষয়ে হামাসের দেওয়া ইতিবাচক বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।