ইসলামি বিশ্বাস ও শরিয়তের দুটি মৌলিক ভিত্তি হলো- এক. তাওহিদের প্রতি অটল বিশ্বাস ও দুই. হালাল রিজিক আহরণের নিরলস চেষ্টা।
হারাম উপার্জন
ইবাদত কবুলের জন্য পরিধেয় বস্ত্রসহ সবকিছু হালাল উপার্জনের হতে হবে। অন্যথায় তা গ্রহণযোগ্য হবে না। রাসুল (সা.) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহতায়ালা পবিত্র। তিনি শুধু পবিত্র বস্তু গ্রহণ করেন।
যদি কারো ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে জানা যায়—তিনি হারাম অর্থেই কোরবানি দিচ্ছেন, তাহলে তার সঙ্গে এক পশুতে শরিক হয়ে কোরবানি করা নাজায়েজ।
মুসলমানের জন্য হালাল উপার্জন ও হালাল ভক্ষণ ফরজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘হে মুমিনরা, আহার করো আমি তোমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছি তা থেকে এবং আল্লাহর জন্য শোকর করো, যদি তোমরা তাঁরই ইবাদাত করো।’ (সুরা বাকারা: ১৭২)
হারাম উপার্জন জীবন থেকে বরকত তুলে নেয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সংগত পন্থায় সম্পদ অর্জন করে তাকে বরকত দান করা হয়। আর যে ব্যক্তি অসংগত পন্থায় সম্পদ অর্জন করে সে এমন ব্যক্তির মতো যে আহার করে, কিন্তু তৃপ্ত হয় না।’ (মুসলিম: ১০৫২)